Sunday, April 10, 2016

যে ৭টি খাবার এবং ঔষুধ একসাথে ভুলেও খাবেন না!

 

আপনি কি জানেন সারা পৃথিবীতে কি পরিমাণের মানুষ ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য মারাত্নক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে? পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এর সংখ্যা প্রায় . বিলিয়ন! আরেক গবেষণায় দেখা গেছে বেশ কিছু অসুখ ভুল ঔষুধ এবং ভুল ডায়েটের কারণে হয়ে থাকে। বেশির ভাগ ঔষুধের সাথে ভুল খাবার খাওয়ার কারণে সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে রোগ আরও বেশি বেড়ে যায়। কিছু রোগের সাথে কিছু কিছু খাবার খাওয়া একদমই উচিত নয়। যেমন অ্যাজমা রোগীদের প্রচুর পরিমাণে কফি পান করা উচিত নয়, তেমনি প্রেশারের রোগীদের লবণ এবং লবণ জাতীয় খাবার কম খাওয়া উচিত
 ১। কলা এবং রক্তচাপ সম্পর্কযুক্ত ঔষুধ
আপনি যদি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ঔষুধ খেয়ে থাকেন, তবে পটাশিয়াম যুক্ত ফল কম পরিমাণে খাওয়া উচিত। কলা পটাশিয়ামের অনেক ভাল উৎস। রক্তচাপের ঔষুধের সাথে কলা কম খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত কলা খাওয়া হার্ট বিট বৃদ্ধি করে বুক ধড়ফড় বাড়িয়ে দিয়ে থাকে
 ২। অ্যালকোহল এবং পেইনকিলার
আপনি যদি ডায়াবেটিস, অ্যানথিস্টামিনস অথবা অন্য কোন পেইন কিলার খেয়ে থাকেন তবে অ্যালকোহল পান করা থেকে বিরত থাকুন। এই ঔষুধগুলোর সাথে আপনি যখন অ্যালকোহল পান করবেন, তখন লিভারের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাবে। অ্যালকোহল শরীরের মিশিয়ে নিতে লিভারকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। লিভারের এই অতিরিক্ত কাজ করার জন্য শরীরে অভ্যন্তরীণ কোন অঙ্গও হানি হতে পারে
৩। সবুজ শাক সবজি এবং অ্যান্টিকোগুলান্টস
রক্ত ঘন অথবা রক্ত বৃদ্ধি করার সবচেয়ে ভাল এবং কার্যকরী উপায় হল শাক সবজি যেমন পালং শাক, ব্রকলি ইত্যাদি খাবার খাওয়া। এই সবজিগুলোতে ভিটামিন কে রয়েছে যা রক্ত পরিষ্কার করে ঘন করতে সাহায্য করে। কিন্তু আপনি যদি রক্ত বৃদ্ধি করার ঔষুধ খেয়ে থাকেন তবে শাক সবজি খুব বেশি পরিমাণে না খাওয়াই ভাল
 ৪। যষ্টিমধু এবং হার্টের ঔষুধ 
আপনি যদি হার্টের রোগী হয়ে থাকেন, তবে যষ্টিমধু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এই খাবারটি রক্তে পটাশিয়াম পরিমাণ হ্রাস করে দেয়। পটাশিয়াম লেভেল কমে যাওয়ার কারণে রোগী দূর্বলবোধ করে এবং হার্টবিট অনিয়মিত হয়ে পড়ে
 ৫। জাম্বুরা এবং স্টায়াটিন
জাম্বুরায় থাকা উপাদানগুলো শরীরের স্টায়াটিন ভেঙ্গে দিয়ে থাকে। এটি রক্তচাপ কমিয়ে দিতে সাহায্য করে। তাই প্রেশারের রোগীদের জাম্বুরা একটি সীমা পর্যন্ত খাওয়া উচিত
 ৬। দুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিক
কিছু অ্যান্টিবায়োটিক যেমন টেট্রাসাইক্লিন, কিপ্রোফ্লোক্সাসিন এবং অস্টিওপরোসিস সমৃদ্ধ কিছু অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে দুধ খাওয়া উচিত নয়। এই অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর সাথে দুধ পান করলে অনেক সময় এইগুলো ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে এর কার্যকারিতা কমে যায়
 ৭। লেবু এবং কাশির ঔষুধ
ডেক্সথ্রোমেথফেইন জাতীয় কাশির ঔষুধের সাথে লেবু জাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। লেবুতে থাকা অ্যাসিড এই ঔষুধের সাথে মিশিয়ে আপনাকে আরও বেশি ক্লান্ত, তন্দ্রালু করে তুলবে

Office 1
----------------House # 286 Road # 8/A (15, Old), 
Dhanmondi, Dhaka 1209

Office 2283 Mukto Bangla Shopping Complex
Mirpur-01,Dhaka-1216
------------------------
Mobile
+88 01711 927919 
+88 01919 118016

Email : asmzubayer@gmail.com
web site : www.dhakaa.com

Thursday, April 7, 2016

কোমরে ব্যথা দূর করে দিন চিরকালের জন্য একটি মাত্র উপায়ে

কোমর ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন। তবে মহিলারা বেশি কোমর ব্যথায় ভোগেন। প্রথম থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যৎ এ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। একটি উপায়ে খুব সহজে এই ব্যথা উপশম করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায়টি।

কেন হয় কোমর ব্যথাঃ
ওজন উচ্চতা অনুযায়ী বেশি হলে।
ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।
কোমরে চোট পেলে।
অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।
পা পিছে কোথাও পড়ে গেলে।
নিয়মিত গাড়ি চালালে।
সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।
গর্ভধারণ সময়ে।
হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।
এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব। আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আদার মাধ্যমেই দূর করে দিতে পারবেন এই সমস্যা। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি।

যা যা লাগবেঃ
আদা, পরিষ্কার পাতলা কাপড়, গরম পানি
কিভাবে তৈরি করবেনঃ
প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন। এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন।
কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন। একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন।
এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন। এই পানির মধ্যে আদার পটলিটা চিপে রস পানিতে দিন।
রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন।
এবার একটি কাপড় গরম আদা পানিতে চুবিয়ে নিন। এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন।
এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।
সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন। সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন।
দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে। এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে l

Monday, April 4, 2016

শীতে ত্বকের যত্নে কিছু টিপস

শীতের আগমনী বার্তা এবার শরতের শেষেই চলে এসেছে। সেই সাথে শুরু হয়েছে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা। তাই এখন থেকেই শুরু হোক ত্বকের বাড়তি যত্ন। এতে শীতের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে করবে মসৃন এবং স্বাস্থ্যজ্জ্বল
ত্বককে ময়শ্চারাইজ করুন:
শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়শ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সম্বৃদ্ধ ময়শ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন
সানস্ক্রিন ব্যবহার:
শীত আসছে বলে ভাববেন না যে সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজনীতা কমে গেছে। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করূন
আদ্রতা বজায় রাখুন:
শীতকালে ত্বকের আদ্রতা বজায় মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না
অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন:
গোসলের সময় আরাম অনূভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, অতিরিক্ত গরম পানি মুখের ত্বকের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে যা ত্বককে আদ্র রাখতে সাহায্য করে। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোটা জোজোবা বা বাদাম তেল দিয়ে নিলে তা ত্বককে আদ্র এবং মসৃন করতে সহায়তা করে
ভেজা ত্বকে পরিচর্যা করুন:
গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজাঅবস্থায় ময়শ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকবে
ঠোঁটের পরিচর্যা:
কখনোইজিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিৎ নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সাথে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না
মেকআপ করার সময়:
মেকআপ করার সময় লিকুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবেন না। শীতকালে ক্রিম ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন
চুলের যত্ন:
শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিৎ নয়। এতে করে চুলের আদ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল ভেঙে যায়
হ্যাট পরুন:
চুল এবং মাথার তালুর আদ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন
হাত পায়ের যত্ন:

হাত এবং পায়ের আদ্রতা ধরে রাখতে যতবার প্রয়োজন ততবার লোশন বা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন